মেনু নির্বাচন করুন
খবর

জগন্নাথপুর উপজেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত ঘোষনা

জগন্নাথপুর উপজেলা কে বাল্য বিবাহ মুক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। ২৬ আগস্ট ২০১৬খ্রিঃ সোমবার বেলা আড়াই টার দিকে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম আনুষ্টানিকভাবে এ ঘোষনা দেন। এ উপলক্ষে উপজেলা সদরের আব্দুস সামাদ আজাদ অডিটরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাছুম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, আজ থেকে জগন্নাথপুর উপজেলা বাল্য বিবাহ মুক্ত ঘোষনা করা হলো। এই ঘোষনার মাধ্যমে আর কোন বাল্য বিয়ে হতে দেয়া হবেনা। যারা বাল্য বিয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে। তিনি বাল্য বিবাহের কুফল সর্ম্পকে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী আরিফুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির মধ্যে রাখেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন-অর রশিদ, প্রবীন রাজনীতিবিদ সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সিদ্দিক আহমদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন, পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তাদীর আহমদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাজেরা বারী, ওসি (তদন্ত) খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, আশারকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আবু ইমানী, প্যানেল মেয়ার শফিকুল হক, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনন্ত কুমার সিংহ, হলিয়ারপাড়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাইনুল ইসলাম পারভেজ, প্রেসক্লাব সভাপতি শংকর রায়, শিক্ষিকা স্বপ্না রানী চন্দ, শিক্ষার্থী শ্রাবন্তী সরকার প্রমুখ। সভার শেষ দিকে প্রধান অতিথি বাল্য বিবাহ করব না এমন শপথ বাক্য পাঠ করান।

অনুষ্টানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোওয়াত করেন ইমাম বদরুল ইসলাম। পবিত্র গীতা পাঠ করেন শিক্ষক গনেশ চক্রবর্তী। সভা শেষে প্রধান অতিথি শেখ রফিকুল ইসলাম ও বিশেষ অতিথি হারুন-অর রশিদকে ক্রেস্ট প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ‍মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  জনাব মোঃ আকমল হোসেন।
এর পূর্বে দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গন থেকে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, এনজিও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ সমাজের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।


Share with :

Facebook Twitter